স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে পবিত্র শবে বরাতের নামাজ শেষে ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে ছাত্রশিবির সভাপতি ইকরামুল হায়দার নাবিলের সাথে বিএনপি সভাপতি শাহদাত হোসেনের রাজনৈতিক বিষয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। তর্কের একপর্যায়ে শাহদাত হোসেনের নেতৃত্বে মিজান, আরাফাত, লিংকন ও নজরুলসহ একদল যুবক নাবিল এবং তার দুই সঙ্গী রহমত উল্লাহ সৈকত ও হাসান নবীর ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে আহত নাবিল ও তার সঙ্গীরা দৌড়ে ১নং ওয়ার্ডের গণু মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের একটি যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে। বর্তমানে আহতরা সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, সন্দ্বীপ থানার একজন প্রভাবশালী এসআই-এর হস্তক্ষেপে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত বিএনপি নেতার সাথে ওই পুলিশ কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠতা থাকায় আইনি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি সভাপতি শাহদাত হোসেন তর্কের কথা স্বীকার করলেও মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জায়েদ নূর জানান, “যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে উদ্ধার করেছে। লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”