• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
/ শিল্প ও সাহিত্য
স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অক্ষরবৃত্ত আয়োজিত ‘অক্ষরবৃত্ত পান্ডুলিপি পুরস্কার ২০২০’ এর শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছেন সন্দ্বীপের তিনজন সাহিত্যিক। সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ১৪৮১ পাণ্ডুলিপি থেকে বিজ্ঞ জুরিবোর্ড ৪টি বিভাগে ১২০টি বিস্তারিত
নশ্বর জীবনে শিশু থেকে শৈশবের বয়স, পরিবার পরিজনে আবদ্ধ এড়িয়ে অলস। সবুজ সংসারে সময় পাড়ি আদর মাখা, রাজপুত্র রাজকন্যা হয়ে কুসুমিত শাখা। তবে শৈশব-কৈশোর-যৌবনে পাশে যারা, সময়ের আবর্তনে সবুজ পথদ্রষ্টা
বেলাল মোহাম্মদ (যাদুমণি) ছিলেন স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্রের অগ্রদূত শব্দ সৈনিক। তাঁর চারিত্রিক দৃঢ়তা মধ্য যুগের বাংলা সাহিত্যের চাঁদ সওদাগরের ন্যায়। সমগ্র জীবনে নানা বঞ্ছনার শিকার হয়েও নতিস্বীকার করেন
যাদুমনি তখন ইন্টারমিডিয়েট আর্টস ১ম বর্ষের ছাত্র। কলেজের নোটিশ বোর্ডে একদিন যাদুমনি দেখলেন, একটি বাইরের বিজ্ঞপ্তি সাঁটা রয়েছে। ‘একটি দুর্লভ সুযোগ। একটি বেওয়ারিশ লাশ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল স্কুলে লাশটি
একটি মাত্র সন্তান যাদুমনির। আনন্দ’র বয়স তখন তিরিশ। আমেরিকা যাওয়ার আগে হঠাৎ একদিন বাবাকে চেপে ধরল সে; জীবনের যদি কোন স্বপ্ন থাকে যাদুমনি যেন তাকে বলে। যাদুমনির খুব এখানে ওখানে
কৈশরে যাদুমনির বন্ধু ছিলেন নব্বুই বছরের বুড়ো দাদাজি মুন্সি গোলাম মজিদ। দুপুরে খাওয়ার পর বিছানায় গা এলিয়ে মুন্সি যাদুমনিকে কাছে ডাকতেন।কোল ঘেষে বসতে হতো দাদাজির। শক্ত মলাটের বাঁধাই একটা বইয়ের
২৫ মার্চ কালোরাত্রি ১৯৭১। নিরস্ত্র নিরপরাধ বাঙালির ওপর ঝাপিয়ে পড়ল পাকিস্তানি সামরিক দস্যুরা। নির্বিচারে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে রাতেই তারা দখল করে নিলো মহানগরী ঢাকা। পরদিন সকালবেলা ঢাকা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার
সুফী সাহেবের মৃত্যুর পর যাদুমনি ( বেলাল মোহাম্মদ ) কিছুটা সমস্যায় পরেন। শেষ রাতের বৈঠকে সুফী সাহেব যাদুমনিকে রোজ যে একটি করে টাকা হাত খরচার জন্য দিতেন তা এখন বন্ধ।
Skip to toolbar