• বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
/ শিল্প ও সাহিত্য
মিরসরাই ইষ্টিশন। ট্রেনে, চট্টগ্রাম থেকে দুই ঘন্টার রাস্তা। নেমেই সোজা পশ্চিমের পথ ধরে এগিয়ে আসতে হয় দেড় মাইল পথ। যাত্রীদের একটা অংশ; যা চলতে থাকে পুন্যময় এক কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে, এখানকার বিস্তারিত
মাটির ফুলে রক্ত ঝরে কলম আমার শিথিল হয়ে লেখার পথ হারায়, পরতে পরতে চলছে ধর্ষণ শুনতে হৃদয় কাঁদায়। লম্পট কুলাঙ্গার কামুকতা খোঁজে নিষ্পাপ ফুলে, বিচার কার্য বন্ধ চড়,ঘুষিও বাদ কেবা
হটাও ভীতি এম এ রসুল সন্দ্বীপি দামাল বয়স থমকে গেলে হয় না স্বপন আঁকা, কঠিন দ্রোহে অলস ফেলে ঘুরাও মনের চাকা। প্রেম পরাগে সবুজ হৃদয় রাখতে হবে সবল, ঠিক মননে
মুরগীর ডিম ফুটে হাঁসের বাচ্চা- ছোটগল্প নদীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতে হয় না কয়েকদিন ধরে। মা-বাবা জাগার আগেই উঠে পরে সে। দরজা খোলে আস্তে আস্তে।চারপাশে আবছা অন্ধকার। সূর্য উঠেছে নদীর
করোনা এবং গোরখোদকের ঘুম ফারুকী ওমর বুকের বাঁ’দিকে ‘করোনা’ নামের যে গোরস্থানটা ঘুমিয়ে গেছে, সেখানে এখন কুয়াশাচ্ছন্ন শোক, স্মৃতির গাল বেয়ে পান করা আমি এক ব্যথিত গোরখোদক, লাশের মিছিলে তীব্র
অবিচারের স্বারকলিপি ইসমাইল হোসেন মনি আমি প্রেম সমুদ্রে প্রবল অনুরাগে পুলক তরঙ্গে ভেসে যেতে চেয়েছি তোমার আঙ্গিনায়। অথচ একটুও জানা ছিল না গভীর জলে বাস করা তুমি উদভ্রান্ত শানানো দন্তে
হ্যাঁ আমরাই নবাবজাদা এম এ রসুল সন্দ্বীপি   শুনরে যারা নিছকমনা নিন্দুক হারামজাদা, হ্যাঁ আমরাই একমাত্র দেশের বাড়ায় মর্যাদা। বেহায়ার মত নিছকমনা নয় আমাদের মন, আমরাই মিটাই দেশ আর দশের
আপসোস এম এ রসুল সন্দ্বীপি জোর জুলুমে রাজ্য ভারি; সে খবর কি আছে! বিবেক করে দেওলিয়া; হিংস্র মননে খুব নাচে। শত ঠকবাজ মানুষ; একটি ব্যাধির কথা শুনে, নশ্বর জগতে; বাঁচার
Skip to toolbar