মাটির ফুলে রক্ত ঝরে
কলম আমার শিথিল হয়ে লেখার পথ হারায়,
পরতে পরতে চলছে ধর্ষণ শুনতে হৃদয় কাঁদায়।
লম্পট কুলাঙ্গার কামুকতা খোঁজে নিষ্পাপ ফুলে,
বিচার কার্য বন্ধ চড়,ঘুষিও বাদ কেবা চড়াবে শূলে!
দেখি বেহায়া কিছু আইনের লোকও ধর্ষকের হয়,
ধর্ষকের পক্ষে মামলায় লড়ে মিথ্যাকে করছে জয়।
ইচ্ছে করে মটকাই সেইসব নরপিশাচ লোকের ঘাড়,
তোমরা ওদের মানুষ ভাবো আমার চোখে ওরা ষাঁড়।
গরুর মত খাওয়া ওদের অভ্যাস হয় ঘুষের আঁশে,
সত্য,বাস্তবতাকে মিথ্যা বানিয়ে ঠিক ধর্ষকের পাশে।
মনানন্দে সমাজে বাস মুখোশ পরা কুলাঙ্গার অজাত,
নির্লজ্জ বেহায়া ধর্ষক স্টিমরোলারে করে যায় আঘাত।
পাড়াপড়শিরা আতংকিত কখন জানি মারবে থাবা,
নারীর সত্বীত্ব হরনে উদগ্রীব বেহায়ার দলে চলে দাবা।
মাটির ফুলে রক্ত ঝরে করছে ধর্ষক নিত্য কামনা ভোগ,
সত্যি দেশের আইনেরও আজকাল হয়েছে কঠিন রোগ।
বিচার কার্যকর হয় না বলে আজ-ও চলছে ঐ ধর্ষণ,
ধর্ষকের একটা বিহিত না করলে চলতে থাকবে দর্পণ।
পড়েছে সে শত-শত লাশের মিছিল আহাজারি তোপে,
ধর্ষিতার আত্মা কাঁদে, ধর্ষক পায় মাফ আইনের কোপে।
এম এ রসুল সন্দ্বীপি
সন্দ্বীপ জার্নাল/ইএএম