বাদল রায় স্বাধীন:
মাস্টার ছায়েদুল হক ফাউন্ডেশন কতৃক সন্দ্বীপের বিশিষ্ট গুনীজন যথাক্রমে পুর্ব সন্দ্বীপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ,ওয়াই,এম ছায়েদুল হক, সরকারী হাজী এবি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, মোঃ রফিকুল হক, সাবেক ব্যাংকার ও সমবায় ব্যক্তিত্ব শামসুল কিবরিয়া মিলন ও বদিউজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়েে প্রধান শিক্ষক কাজী মোঃ আলমগীর এর স্মরণে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে মাষ্টার ছায়েদুল হক ফাউন্ডেশন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মগধরা ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম.আনোয়ার হোসেন, বিশেষ অতিথি রুপালী ক্রেডিট কো-অপারেটিভ এর এজিএম কামরুল ইসলাম টিটু, কাসেম হায়দার মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হানিফ, এনাম নাহার বালিকা বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম আকবর,ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, সন্দ্বীপ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক বাদল রায় স্বাধীন।
(শুক্রবার) ১৩ মার্চ বিকালে ছায়েদুল হক ফাউন্ডেশন কার্য্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাষ্টার মোঃ মাঈন উদ্দীন ।
সংগঠনের সাধারন সম্পাদক কবি ও গীতিকার কাজী শামসুল আহসান খোকনের সাবলীল উপস্থাপনায় স্মৃতিচারণ মুলক বক্তব্য রাখেন,সাংবাদিক মাষ্টার সাইফুল ইসলাম ইনসাফ,মাষ্টার মাধব চন্দ্র দাস,মোঃ বেলাল উদ্দীন,মাষ্টার মোঃ হান্নান,ব্যবসায়ী কমিটির সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদের প্রমুখ।
বক্তারা বলেন মাষ্টার ছায়েদুল হক ছিলেন একজন আলোক বর্তিকা।তার বর্নাঢ্য কর্মময় জীবনে তিনি অনেক গুলো স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় ভুমিকা রেখেছেন।অনেক শিক্ষক ও ছাত্র/ছাত্রীদের আইডল ছিলেন তিনি।
একজন ভালো সংগঠক ছিলেন বলে তিনি অনেকের কাছে প্রেরনার বাতিঘর। তিনি মৎস্য, সমবায়, স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়ে ও অনেক কাজ করে তাদের সংগঠিত করেছেন, বিনা বেতনে পড়িয়েছেন অনেক ছাত্রকে, তিনি সহকর্মীদের বিপদে আপদে এগিয়ে আসা, তাদের সন্মানীত করা, ছাত্ররা স্কুলে অনুপস্থিত থাকলে কেন অনুপস্থিত সেটা খোঁজ নিতেন শুধুমাত্র তারা ভালো আছে কিনা সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
তাই তিনি সবার কাছে প্রিয় আবু স্যার হিসেবে সবার হৃদয়ে অবস্থান করছেন।
আর আজ তার নামে প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অনেক সেবা মুলক কাজ করে যাচ্ছে তারই উত্তরসুরী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম।
সেই গুনী ব্যক্তির উত্তর সুরীরা তার পাশাপাশি সন্দ্বীপের অন্য গুনীজনদের স্মরন করে অন্যদের সন্মানীত করছে।এটাই প্রমান করে তিনি নিজে সন্মান গ্রহনের চেয়ে সন্মান দিতেন বেশী গুনীদের।
আলোচনা শেষে উল্লেখিত চার গুনী ব্যক্তির আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে স্মরন সভার সমাপ্তি ঘটে।