বাদল রায় স্বাধীন:
সন্দ্বীপ এখনো করোনা রোগী মুক্ত এবং এখন পর্যন্ত বিদেশ ফেরত ৭৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলো তার মধ্যে ১৪ জন সুস্থ্য হয়ে কোয়ারেন্টাইন মুক্ত হয়েছেন। বাকী ৬৩ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন এবং আমাদের প্রশাসনিক এবং মোবাইল মনিটরিং-এ রয়েছেন।
তার মধ্যে প্রতিদিন ৪/৫ জন করে ১৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার কারনে কোয়ারেন্টাইন মুুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফজলুল করিম।
আরো পড়ুনঃ করোনা : সন্দ্বীপে ডাক্তারদের পিপিই প্রদান করা হচ্ছে তবে পর্যাপ্ত নয়
তিনি আরো বলেন, হোম কোয়ারেন্টাইন দুই প্রকার প্রথমত স্বেচ্ছায় দ্বিতীয়ত বাধ্যতামুলক বা প্রশাসনিক। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৭৭ জনের কারও করোনা পজেটিভ নেই তাই আমরা শংকামুক্ত হলেও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের বা আইসিডিআর এর ঘোষনা অনুযায়ী প্রাথমিক ভাবে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হওয়ার বিষয়টি শংকাজনক তবে আমরা আশাবাদী আমাদের এ অঞ্চলে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন জোড়ালো হবেনা ।
আরো পড়ুনঃ বাজার মনিটরিং এ প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে ছাত্রলীগ
হোম কোয়ারেন্টাইন ব্যতীত প্রশাসনিক ভাবে রোগী সনাক্ত হলে সন্দ্বীপে কি ব্যবস্থা রয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ২০ শয্যা হসপিটালে ৫ টি আইসোলেশন বেড রয়েছে। আমরা কোন রোগী পেলে তাদের সেখানে রাখবো । এ ব্যাপারে এমন সম্ভাবনা বা কারো কোন লক্ষন দেখা দিলে আমাদের কন্ট্রোল রুম বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবগত করতে হবে। এবং সরকারী লকডাউন মেনে চলা এবং নৌ-ঘাট দিয়ে যাত্রী ঢুকার ব্যাপারে একেবারে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে তাহলে আমরা শংকামুক্ত থাকতে পারবো।