সন্দ্বীপ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সহকারী মাহফুজুর রহমানের (৪৮) বিরুদ্ধে এক কোটি ৭ লাখ ২ হাজার ৭৪৬ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় তার স্ত্রী দিলুয়ারা মাহফুজকেও (৪২) আসামি করা হয়েছে। দুদকের অভিযোগ, স্বামীর অবৈধ আয়ের মাধ্যমেই দিলুয়ারা মাহফুজ এই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।
দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২১ টাকার অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপনের প্রমাণ মিলেছে। পাশাপাশি এক কোটি ৭ লাখ ২ হাজার ৭৪৬ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ মামলা করা হয়। মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬(২), ২৭(১) এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপ-পরিচালক আতিকুল আলম।
মাহফুজুর রহমান চট্টগ্রামের পটিয়া থানার উত্তর দেয়াং মোহাম্মদনগর গ্রামের এখলাসুর রহমানের ছেলে। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে সহকারী হিসেবে কর্মরত।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে দুদকে জমা হওয়া এক অভিযোগ অনুসন্ধান করে মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সত্যতা পান অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা। এরপর কমিশনের নির্দেশে ২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল দুদকে সম্পদ বিবরণী জমা দেন দিলুয়ারা মাহফুজ। পরে তার সম্পদ বিবরণী যাচাই করে সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপনের সত্যতা পায় দুদক। দিলুয়ারা মাহফুজের এসব অবৈধ সম্পদ অর্জনে তার স্বামী মাহফুজুর রহমান সহযোগিতা করেন বলে জানান মামলার বাদী মিজানুর রহমান চৌধুরী।
উল্লেখ্য, মাহফুজুর রহমান সন্দ্বীপে যোগদানের পূর্বে ফটিকছড়ির নানুপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত ছিলেন। তার বর্তমান বাসস্থান পটিয়ার কালারপোল এলাকায়।
সন্দ্বীপ জার্নাল/ইএএম