আমরা সব সময়ই ত্বক নিয়ে সচেতন থাকি। ত্বকের ধরণ বুঝে নিজেই ঘরেই যেভাবে নেবেন বাড়তি যত্ন:
স্বাভাবিক ত্বকের জন্য চন্দন বাটা-১ টেবিল চামচ, টমেটোর রস-১ চা চামচ, শসার রস-১ চা চামচ এই সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
শুষ্ক ত্বকের জন্য পেস্তা বাদামের পেস্ট -১ টেবিল চামচ, মধু -১ চা চামচ, ডিমের কুসুম- ১ টি সব উপকরণ মিশিয়ে পুরো মুখে রেখে শুকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মুলতানি মাটি-১ টেবিল চামচ, গোলাপজল-১ চা চামচ, লেবুর রস-১ চা চামচ মিশিয়ে পুরো মুখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন।
তেমনি ঘরেই করতে পারেন হাত পায়ের যত্নও। প্রথমে গরম পানিতে শ্যাম্পু দিয়ে হাত পা ভিজিয়ে রেখে পরিস্কার করতে পারেন। তারপর ভালো কোনো ব্র্যান্ডের ময়েস্চারাইজার মেখে নিন।
চুলের যত্নে সপ্তাহে অন্তত একবার চুলে মেহেদি, পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, ডিম এবং টক দইয়ের প্যাক লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করুন।
এছারাও ত্বক দীর্ঘদিন বলিরেখামুক্ত রাখতে ও ক্লান্তি কাটিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য ঘরোয়া সিরাম ও বানিয়ে নিতে পারেন। ত্বকের ধরণ অনুযায়ী যেভাবে তৈরি করবেন ঘরোয়া সিরামঃ
স্বাভাবিক ত্বকের জন্য আধকাপ কফির গুঁড়া একটা কাচের জারে ঢেলে তাতে এক কাপ আমন্ড অয়েল মিশিয়ে দিন। এমনভাবে তেল ঢালুন যাতে পুরো কফিটা তেলে চাপা পড়ে যায়।এবার জারের মুখ বন্ধ করে চার-পাঁচদিন ঠাণ্ডা শুকনো জায়গায় রেখে দিন।পাঁচদিন পর জারের মুখ খুলে পরিষ্কার গজ কাপড়ের সাহায্যে মিশ্রণটা পাত্রে ছেঁকে নিন। এই তেলে এক টেবিল চামচ অ্যাভোকাডো অয়েল যোগ করুন, তারপর ভালো করে নেড়ে কফির নির্যাসযুক্ত আমন্ড অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন।
শুষ্ক ত্বকে চন্দন ও ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করুন।আর তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আধা চা চামচ টি ট্রি অয়েল ও পিপারমিন্ট অয়েল নিন।তৈরি সিরাম বোতলে ভরে রাখুন। প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার আগে প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে টোনার লাগিয়ে নিন। এরপর দু’এক ফোঁটা সিরাম নিয়ে আঙুল দিয়ে হালকা করে মিশিয়ে নিন।নিয়মিত সিরাম ব্যবহার করলে- ব্যবহারের পরই দ্রুত ত্বকে কাজ করতে শুরু করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে । ত্বকের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা বজায় থাকে। তারুণ্য ধরে রাখে, বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না । সব ধরনের দাগ দূর করে।